কুরআনে 'ফালা উকসিমু' ও 'লা উকসিমু': শপথ নয়, বরং সৃষ্টিজগতের প্রতি গভীর দৃষ্টি আকর্ষণ

আলম এম.আলম এম.২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
কুরআনিক তাদাব্বুর • অনুবাদ তত্ত্ব ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

কুরআনের বাণী ও তার অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবনের ক্ষেত্রে সঠিক ও মননশীল অনুবাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা পালন করে। প্রচলিত অনেক বাংলা ও আন্তর্জাতিক অনুবাদে আমরা পবিত্র কুরআনের বেশ কিছু আয়াতে ব্যবহৃত 'فَلَا أُقْسِمُ' (ফালা উকসিমু) এবং 'لَا أُقْسِمُ' (লা উকসিমু) বাক্যগুলোর অনুবাদ হিসেবে “আমি শপথ করছি” বা “কসম করছি” শব্দবন্ধের ব্যবহার দেখতে পাই।

🔍 মৌলিক সংকট ও যুক্তিগ্রাহ্য প্রশ্ন:

আয়াতগুলোর গভীর প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং স্রষ্টার পরম সার্বভৌমত্বের দিকটি বিবেচনা করলে দেখা যায়—প্রচলিত এই গৎবাঁধা অনুবাদ অনেক সময় আয়াতের মূল ঐশী আবেদনকে পুরোপুরি ফুটিয়ে তুলতে পারে না। তাত্ত্বিক ও যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে দেখা যায়, মহান আল্লাহ তাআলা স্বয়ং সমস্ত সৃষ্টির স্রষ্টা। নক্ষত্রমণ্ডলী, গোধূলি, দিগন্ত, ঐতিহাসিক নগর কিংবা মানুষের জাগ্রত বিবেক বা আত্মা—এসবই তাঁরই সৃষ্টি। সার্বভৌম ও পরম ক্ষমতার অধিকারী স্রষ্টা তাঁর নিজেরই সৃষ্ট কোনো নশ্বর বস্তুর নামে শপথ করার কোনো প্রয়োজন বা মুখাপেক্ষিতা রাখেন না; তা তাঁর ঐশ্বরিক মহত্ত্ব ও মর্যাদার সাথেও অসঙ্গতিপূর্ণ।

মূলত এসব আয়াতে আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে তাঁর অসীম কুদরত ও সৃষ্টির নান্দনিক মহানিদর্শনের প্রতি গভীর মনোযোগ দেওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন—যাতে মানুষ অন্ধ প্রথা ছেড়ে এগুলো নিয়ে চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করে এবং পরম সত্যকে উপলব্ধি করতে পারে। এই গভীর প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে, “শপথ” শব্দটির পরিবর্তে “দৃষ্টি দাও”, “লক্ষ্য করো” বা “চিন্তা করো” অর্থ ব্যবহার করে ৯টি প্রধান আয়াতের একটি সময়োপযোগী, যুক্তিগ্রাহ্য ও বিশুদ্ধ কুরআনকেন্দ্রিক নতুন অনুবাদ নিচে উপস্থাপন করা হলো।

✦ ৯টি আয়াতে 'ফালা উকসিমু' ও 'লা উকসিমু': নতুন অনুবাদ ও তুলনামূলক পাঠ

সূরা আল-ওয়াকিয়া ৫৬:৭৫–৭৬ মহাজাগতিক নক্ষত্রবিন্যাস

فَلَآ أُقْسِمُ بِمَوَٰقِعِ ٱلنُّجُومِ

উচ্চারণ: ফালা উক্বসিমু বি-মাওয়াক্বি‘ইন-নুজূম।
প্রচলিত অনুবাদ: “অতএব আমি নক্ষত্রসমূহের অস্তাচলের শপথ করছি...”
নতুন যুক্তিগ্রাহ্য অনুবাদ: “অতএব, নক্ষত্রসমূহের অবস্থান ও কক্ষপথগুলোর দিকে দৃষ্টি দাও।”

وَإِنَّهُۥ لَقَسَمٌۭ لَّوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ

উচ্চারণ: ওয়া ইন্নাহূ লাক্বাসামুল লাও তা‘লামূনা ‘আযীম।
প্রচলিত অনুবাদ: “নিশ্চয়ই এটি এক মহাশপথ, যদি তোমরা জানতে।”
নতুন যুক্তিগ্রাহ্য অনুবাদ: “আর নিশ্চয়ই তা এক মহৎ বিন্যাস ও বিভাজন, যদি তোমরা জানতে!”
তাত্ত্বিক তাৎপর্য:

এখানে 'ক্বাসাম' (قَسَم) শব্দের মূল ধাতু 'ক্ব-সা-মা' (قسم)—যার আদি অর্থ সুনির্দিষ্ট বণ্টন, পরিমাপ ও সুষম বিন্যাস (division, distribution & structural layout)। নক্ষত্রসমূহের পারস্পরিক দূরত্ব, গ্যালাক্সির মহাকর্ষীয় অবস্থান এবং মহাকাশের এই সুনির্দিষ্ট স্থানিক বিভাজন সত্যিই এক বিস্ময়কর মহৎ বিন্যাস—যা আধুনিক অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে প্রতিদিন নতুন মাত্রায় উন্মোচিত হচ্ছে।

সূরা আল-হাক্কা ৬৯:৩৮–৩৯ দৃশ্যমান ও অদৃশ্য জগৎ

فَلَآ أُقْسِمُ بِمَا تُبْصِرُونَ ۝ وَمَا لَا تُبْصِرُونَ

উচ্চারণ: ফালা উক্বসিমু বিমা তুবসিরূন; ওয়া মা লা তুবসিরূন।
প্রচলিত অনুবাদ: “অতএব আমি শপথ করছি যা তোমরা দেখতে পাও তার, এবং যা দেখতে পাও না তার...”
নতুন যুক্তিগ্রাহ্য অনুবাদ: “অতএব, তোমরা যা দেখো তার দিকে দৃষ্টি দাও—এবং যা তোমরা দেখতে পাও না তার প্রতিও।”
তাত্ত্বিক তাৎপর্য: মানবচোখের দেখার পরিসর সীমিত (দৃশ্যমান আলোক বর্ণালী)। কিন্তু সৃষ্টির এক বিরাট অংশ ইন্দ্রিয়ের অগম্য (অদৃশ্য শক্তি, ডার্ক ম্যাটার, মাইক্রোস্কোপিক ও কোয়ান্টাম জগৎ)। আল্লাহ মানুষকে স্পষ্ট আহ্বান জানাচ্ছেন দৃশ্যমান বস্তু ও অদৃশ্য বাস্তবতা—উভয়ের মহাজাগতিক সংযোগ অনুধাবন করতে।
সূরা আল-মা'আরিজ ৭০:৪০ উদয়াচল ও অস্তাচলের দিগন্ত

فَلَآ أُقْسِمُ بِرَبِّ ٱلْمَشَـٰرِقِ وَٱلْمَغَـٰرِبِ إِنَّا لَقَـٰدِرُونَ

উচ্চারণ: ফালা উক্বসিমু বিরাব্বিল-মাশারিক্বি ওয়াল-মাগারিব; ইন্না লাক্বাদিরূন।
প্রচলিত অনুবাদ: “অতএব আমি শপথ করছি পূর্ব ও পশ্চিমসমূহের প্রতিপালকের, নিশ্চয়ই আমরা সক্ষম...”
নতুন যুক্তিগ্রাহ্য অনুবাদ: “অতএব, পূর্ব ও পশ্চিমের (সকল উদয়াচল ও অস্তাচলের) প্রতিপালকের দিকে লক্ষ্য করো—নিশ্চয়ই আমরা মহাশক্তিমান।”
তাত্ত্বিক তাৎপর্য: এখানে আল্লাহ শপথ করছেন না; বরং উদয় ও অস্তের মহাবৈচিত্র্যপূর্ণ অক্ষ এবং সেই নিখুঁত মহাজাগতিক আবর্তন পরিচালনাকারী পরম রবের সার্বভৌম ক্ষমতার দিকে মানুষের মনোযোগ নিবদ্ধ করাচ্ছেন।
সূরা আল-কিয়ামাহ ৭৫:১–২ মহাপ্রলয় ও জাগ্রত মানববিবেক

لَآ أُقْسِمُ بِيَوْمِ ٱلْقِيَـٰمَةِ

উচ্চারণ: লা উক্বসিমু বি-ইয়াওমিল ক্বিয়ামাহ।
প্রচলিত অনুবাদ: “আমি কিয়ামতের দিনের শপথ করছি...”
নতুন যুক্তিগ্রাহ্য অনুবাদ: “কিয়ামতের দিনের দিকে লক্ষ্য করো / মনোযোগ নিবদ্ধ করো।”

وَلَآ أُقْسِمُ بِٱلنَّفْسِ ٱللَّوَّامَةِ

উচ্চারণ: ওয়া লা উক্বসিমু বিন-নাফসিল লাওওয়ামাহ।
প্রচলিত অনুবাদ: “এবং আমি আত্মভর্ৎসনাকারী আত্মার শপথ করছি...”
নতুন যুক্তিগ্রাহ্য অনুবাদ: “আর তিরস্কারকারী আত্মার (জাগ্রত মানববিবেকের) দিকে লক্ষ্য করো।”
তাত্ত্বিক তাৎপর্য: মহাবিশ্বের চূড়ান্ত হিসাবের দিন (কিয়ামত) যেমন এক অনিবার্য সত্য, তেমনি মানুষের নিজের ভেতরে থাকা 'বিবেক' বা 'নাফসে লাওওয়ামা' (কনসায়েন্স)—যা অন্যায়ের পর আত্মাকে তিরস্কার করে—তাও সেই হিসাব দিবসের একটি জীবন্ত প্রমাণ। বাইরের মহাপ্রলয় এবং ভেতরের মনস্তাত্ত্বিক আদালতের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করার এই আহ্বান এক অতুলনীয় ঐশী দর্শন।
সূরা আত-তাকভীর ৮১:১৫–১৬ পশ্চাদপসরণকারী অদৃশ্য নক্ষত্রমালা

فَلَآ أُقْسِمُ بِٱلْخُنَّسِ ۝ ٱلْجَوَارِ ٱلْكُنَّسِ

উচ্চারণ: ফালা উক্বসিমু বিল-খুন্নাস; আল-জাওয়ারিল কুন্নাস।
প্রচলিত অনুবাদ: “অতএব আমি শপথ করছি পশ্চাদপসরণকারী নক্ষত্রসমূহের, যা চলমান এবং অদৃশ্য হয়...”
নতুন যুক্তিগ্রাহ্য অনুবাদ: “অতএব, পিছনে সরে যাওয়া ও দৃষ্টির আড়ালে লুকানো নক্ষত্রগুলোর দিকে লক্ষ্য করো—যা নিজ নিজ কক্ষপথে চলমান ও প্রচ্ছন্ন।”
তাত্ত্বিক তাৎপর্য: 'খুন্নাস' ও 'কুন্নাস'—নক্ষত্র ও মহাজাগতিক বস্তুসমূহের দ্রুত গতিবিধি, কক্ষপথের ঘূর্ণন এবং মহাশূন্যে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার (যেমন ব্ল্যাকহোল বা নিউট্রন নক্ষত্র) বিস্ময়কর বাস্তবতাকে নির্দেশ করে।
সূরা আল-ইনশিকাক ৮৪:১৬ সন্ধ্যায় রক্তিম গোধূলি

فَلَآ أُقْسِمُ بِٱلشَّفَقِ

উচ্চারণ: ফালা উক্বসিমু বিশ-শাফাক্ব।
প্রচলিত অনুবাদ: “অতএব আমি শপথ করছি সন্ধ্যার লালিমার...”
নতুন যুক্তিগ্রাহ্য অনুবাদ: “অতএব, গোধূলির রক্তিম আভার দিকে লক্ষ্য করো।”
তাত্ত্বিক তাৎপর্য: দিন ও রাতের সন্ধিক্ষণ—আলো থেকে অন্ধকারে রূপান্তরের মুহূর্তটি সময়ের দ্রুত প্রবাহ এবং জীবনের পরিবর্তনের অমোঘ প্রতীক।
সূরা আল-বালাদ ৯০:১ ঐতিহাসিক নগর ও মানবসংগ্রাম

لَآ أُقْسِمُ بِهَٰذَا ٱلْبَلَدِ

উচ্চারণ: লা উক্বসিমু বিহাযাল বালাদ।
প্রচলিত অনুবাদ: “আমি এই নগরের শপথ করছি...”
নতুন যুক্তিগ্রাহ্য অনুবাদ: “এই (ঐতিহাসিক ও পবিত্র) নগরের দিকে লক্ষ্য করো।”
তাত্ত্বিক তাৎপর্য: পরবর্তী আয়াতগুলোতেই বলা হয়েছে: “নিশ্চয়ই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি শ্রম ও সংগ্রামের মধ্যে” (৯০:৪)। নগরীর উপস্থিতি ও মানব ইতিহাসের দিকে লক্ষ্য করে মানুষের জীবনের সত্য ও দায়িত্বকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

⚖️ ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ: ব্যাকরণে 'لا' (লা)-এর দ্বিমুখী শক্তি

আরবি ব্যাকরণ ও অলঙ্কারশাস্ত্রে (বালাগাত) 'لَا أُقْسِمُ' (লা উকসিমু) বাক্যাংশে ব্যবহৃত 'لَا' (লা) শব্দটির প্রয়োগ নিয়ে গভীর ও মননশীল আলোচনা রয়েছে। এটিকে দুটি প্রধান উপায়ে অনুধাবন করা যায়:

১. সরাসরি না-বোধক (Lā an-Nāfiyah):

'লা' শব্দটিকে যদি নেতিবাচক বা নিষেধ অর্থে গ্রহণ করা হয়, তবে এর সরাসরি অর্থ দাঁড়ায়: “আমি শপথ করছি না” বা “এখানে শপথের কোনো প্রয়োজন নেই।”

অর্থাৎ, এই মহান মহাজাগতিক ও মনস্তাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো প্রমাণ হিসেবে এতই উজ্জ্বল ও স্বতঃসিদ্ধ যে, এদের সত্যতা প্রমাণের জন্য আলাদা কোনো শপথের আবশ্যকতা থাকে না।
২. তীব্র দৃষ্টি আকর্ষণ (Lā lit-Tanbīh wa'l-Istiftāh):

আরবি বাকরীতিতে শ্রোতার পূর্ণ মনোযোগ কোনো অভাবনীয় বিষয়ের দিকে কেন্দ্রীভূত করার জন্য 'লা' সহযোগে বাক্য উদ্বোধন করা হয় (Attention-grabbing exclamation)।

বাংলায় যেমন বলা হয়: “দেখো তো!”, “ভেবে দেখো তো!”, “লক্ষ্য করো!”—এটি কোনো মানবিক শপথ নয়, বরং পরম স্রষ্টার পক্ষ থেকে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক দৃষ্টি আকর্ষণ।

সৃষ্টির নামে স্রষ্টার শপথের মানবিক অসংগতি:

মানুষ যখন কারো নামে শপথ করে, তখন সে নিজের চেয়ে মহান বা শ্রেষ্ঠ কোনো সত্তার দোহাই দিয়ে নিজের কথার সত্যতা প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কিন্তু মহান আল্লাহর চেয়ে মহত্তর বা উচ্চতর আর কোনো সত্তা নেই। আল্লাহ নিজেই সবকিছুর স্রষ্টা ও চরম সত্য। সুতরাং তিনি তাঁর নিজের সৃষ্টি করা নক্ষত্র বা গোধূলির শপথ খেয়ে তাঁর বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা মানুষের কাছে প্রমাণ করবেন—এমন চিন্তা ঐশী মহত্ত্বের সাথে কিছুতেই মেলে না। তাই “দৃষ্টি দাও” বা “চিন্তা করো” অর্থই সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ ও যৌক্তিক।

🌿 উপসংহার: অন্ধ অনুকরণ ভেঙে মননশীল তাদাব্বুরের নবদিগন্ত

পবিত্র কুরআনের এই বিশেষ আয়াতগুলো আমাদের চিরাচরিত গৎবাঁধা চিন্তাভাবনার গণ্ডি পেরিয়ে এক গভীর চিন্তাশীলতার বার্তা দেয়। শপথের প্রচলিত অনুবাদে যে একধরনের মানবিক সীমাবদ্ধতার আভাস পাওয়া যায়, তা স্রষ্টার শাশ্বত বার্তার মূল সুরের সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

আধুনিক অনুবাদের পথরেখা:

আধুনিক ও মননশীল অনুবাদের ক্ষেত্রে “শপথ” পরিহার করে যখন “দৃষ্টি আকর্ষণ” বা “লক্ষ্য করার” মতো অর্থ গ্রহণ করা হয়, তখন তা কুরআনের সার্বজনীন, দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিকে বহুগুণে স্পষ্ট এবং হৃদয়গ্রাহী করে তোলে।

এটি মানুষের মন থেকে অন্ধ অনুকরণের জড়তা মুছে দিয়ে সমগ্র সৃষ্টিজগৎ—নক্ষত্রপুঞ্জ, দৃশ্য-অদৃশ্য বাস্তবতা, দিবা-রাত্রির রূপান্তর এবং নিজের অভ্যন্তরীণ বিবেক—নিয়ে গভীর গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করে। পরম সত্যের আলো কেবল তাঁদের জন্যই উন্মুক্ত, যাঁরা অনুধাবন ও তাদাব্বুর করেন।

পাঠক প্রতিক্রিয়া

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো? অনুভূতি প্রকাশ করুন

একটি ক্লিকেই লাইক, লাভ বা আপনার মতামত প্রদান করতে পারেন

মোট প্রতিক্রিয়া: 0
আপনার যেকোনো প্রতিক্রিয়া সম্পূর্ণ বেনামী ও সুরক্ষিত
শেয়ার করুন:
FacebookWhatsAppXTelegram
পোস্ট ভিজিটর পরিসংখ্যানপাঠক এনগেজমেন্ট ও পরিসংখ্যান
মোট পাঠক
০ জন
০ টি ভিজিট সেশন
মোট পঠন সময়
০ সেকেন্ড
পাঠকদের ব্যয়কৃত মোট সময়
গড় পঠন সময়
০ সেকেন্ড
প্রতি পাঠক গড়ে অবস্থান
পেজ ভিউ
০ বার
আর্টিকেল পড়ার সংখ্যা
আলম এম.

কুরআনের শব্দ ও সংখ্যা গভীর চিন্তার আহ্বান জানায়। আমি সেই চিহ্নগুলো অনুসরণ করি। আমি আলম, পাঠ্যের কাছে নম্র, বিশ্লেষণে কঠোর। লিখি নিজের বোধ থেকে; চূড়ান্ত জ্ঞান একমাত্র আল্লাহর কাছে।