সূরা আল মা’আরিজ (৭০), আয়াত ২২-৩৫ থেকে স্পষ্টভাবে জানা যায় যে, সালাতকারীরাই জান্নাতবাসী হবে।
(২২) তবে সালাত আদায়কারীগণ ব্যতীত,
(২৪) এবং যাদের ধন-সম্পদে নির্ধারিত হক আছে,
(২৫) যাঞ্ছাকারী ও বঞ্চিতদের,
(২৬) এবং যারা বিচার দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
(২৭) যারা তাদের পালনকর্তার শাস্তি সম্পর্কে ভীত-কম্পিত।
(২৮) তাদের পালনকর্তার শাস্তি এমন যে তাত্থেকে নিঃশঙ্কা থাকা যায় না।
(২৯) যারা নিজেদের লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করে,
(৩০) তাদের স্ত্রী অথবা অধিকারভূক্ত দাসী ছাড়া, কেননা তাতে তারা তিরস্কৃত হবে না।
(৩১) অতএব, যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে, তারাই সীমালংঘনকারী।
(৩২) যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষা করে,
(৩৩) এবং যারা তাদের সাক্ষ্যদানে (সত্যের উপর) সুপ্রতিষ্ঠিত,
(৩৪) এবং যারা তাদের নামাযে যত্নবান,
(৩৫) তারাই জান্নাতে সম্মানিত হবে।
>সূরা আল মুদ্দাসসির (৭৪), আয়াত ৪২-৪৬ অনুযায়ী যারা সালাত করবে না তারা জাহান্নামবাসী হবে।
(৪২) কিসে তোমাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে গেছে?
(৪৩) তারা বলবে- আমরা নামায পড়তাম না,
(৪৪) মিসকীনদরকে খাবার খাওয়াতাম না,
(৪৫) আর আমরা সমালোচকদের সাথে সমালোচনা করতাম।
(৪৬) এবং আমরা প্রতিফল দিবসকে অস্বীকার করতাম।
>সূরা মাউন (১০৭) আয়াত ৪-৭ অনুযায়ী বুঝা যায় যে, আবার যারা সালাত করে অথচ তাতে আল্লাহর সন্তুষ্টির পরিবর্তে লোক দেখানোর উদ্দেশ্য নিহিত থাকে, সালাতের সময়, শিক্ষা ও নিষ্ঠা বিষয়ে উদাসীনতা থাকে এবং নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস ও সহযোগিতা উপকরণের সহজ সাবলীল সরবরাহকে বাধাগ্রস্ত করে তারাও জাহান্নামবাসী হবে।
(৪) অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাযীর,
(৫) যারা তাদের নামায সম্বন্ধে বে-খবর;
(৬) যারা তা লোক-দেখানোর জন্য করে
(৭) এবং মামুলি প্রয়োজনীয় গৃহসামগ্রী (লোকদেরকে) দিতে বিরত থাকে।
সূরা বাকারা (২) আয়াত ১৭৭ থেকে সকল তথ্য থেকে স্পষ্ট যে, সালাত শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ বিষয় নয় এবং আনুষ্ঠানিক সালাতের শিক্ষা বাস্তবায়ন না করলে শুধুমাত্র অনুষ্ঠান পালনের মধ্যে কোনো পুণ্য ও কল্যাণ নেই।
(১৭৭) সৎকর্ম শুধু এই নয় যে, পূর্ব কিংবা পশ্চিমদিকে মুখ করবে, বরং বড় সৎকাজ হল এই যে, ঈমান আনবে আল্লাহর উপর কিয়ামত দিবসের উপর, ফেরেশতাদের উপর এবং সমস্ত নবী-রসূলগণের উপর, আর সম্পদ ব্যয় করবে তাঁরই মহব্বতে আত্নীয়-স্বজন, এতীম-মিসকীন, মুসাফির-ভিক্ষুক ও মুক্তিকামী ক্রীতদাসদের জন্যে। আর যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত দান করে এবং যারা কৃত প্রতিজ্ঞা সম্পাদনকারী এবং অভাবে, রোগে-শোকে ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য্য ধারণকারী তারাই হল সত্যাশ্রয়ী, আর তারাই পরহেযগার।
সালাত শব্দের মূল অর্থ হলো ‘আল্লাহর বিধানের নিবিড় অনুসরণ’। আল্লাহর বিধান অনুযায়ী জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে মূলনীতি হলো: আল্লাহ তাঁর বিধানগ্রন্থের (কুরআন) মাধ্যমে যেসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধান দিয়েছেন তা পরিপালন করতে হবে এবং তার সীমারেখা সংরক্ষণ করে অন্য সব বিষয়ে বিবেকসঙ্গত সিদ্ধান্ত অনুসারে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে এবং সমষ্টিগত বিষয়ে পরামর্শের মাধ্যমে নির্বাহী সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। যেহেতু আনুষ্ঠানিক সালাত হলো মানবজীবনে আল্লাহর বিধান পালনের প্রতীকী মহড়া, তাই আনুষ্ঠানিক সালাতের ক্ষেত্রেও আল্লাহ শুধুমাত্র মৌলিক ও সীমারেখামূলক কয়েকটি বিধান বাধ্যতামূলক করেছেন এবং সেই সীমারেখার সাথে সঙ্গতি রেখে বা তা লংঘন না করে সালাতের বিষয়বস্তু ও আকার-আকৃতির ক্ষেত্রে ব্যক্তিস্বাতন্ত্রিক বিবেচনা অনুসারে কার্য সম্পাদনের অবকাশ রয়েছে।
অনেকে সালাত অর্থ ‘নামাজ’ বলে মনে করলেও ফার্সি শব্দ ‘নামাজ’ সালাতের একটি রিচুয়াল (আচার-অনুষ্ঠান) ডাইমেনশন নির্দেশক মাত্র। কুরআনে সালাত শব্দটি ব্যবহারের পূর্বাপর সম্বন্ধ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, সালাত কেবলমাত্র আচার-আনুষ্ঠানিক নয়।
যেহেতু ‘সালাত’ কুরআনের শিক্ষা ও নির্দেশনাগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ, তাই আমাদের এখানে প্রচেষ্টা থাকবে মৌলিকভাবে এবং কোনো ধরনের পূর্বাপর ধারণা থেকে মুক্ত হয়ে, কেবলমাত্র কুরআনের আয়াতসমূহের সমন্বিত অধ্যয়ন থেকে সালাত শব্দের অর্থ, তাৎপর্য ও স্রষ্টার নির্দেশনার উপস্থাপন। প্রশ্ন হলো, “কুরআনের সামগ্রিকতা থেকে সালাত বলতে আমরা কি বুঝতে পারি? এটি কি কেবলই সময় নির্ধারিত আচার-অনুষ্ঠান, নাকি সালাতের পূর্বাপর সম্বন্ধ (context) বিশ্লেষণ করলে অন্য কিছু পাওয়া যায়?”
কুরআনের সূরার ক্রমিকানুসারে সালাত শব্দটি প্রথম পাওয়া যায় সূরা বাকারাতেই, তৃতীয় আয়াতে। অনেকের কাছে প্রশ্ন উঠতে পারে সালাত কিভাবে পালন করা হবে, সালাত অর্থ কি তা ব্যাখ্যা না করেই সালাত প্রতিষ্ঠা বা সালাতে দাঁড়ানোর যে নির্দেশনা তা কেন? অন্যদিকে অন্য সূরায় আমরা পাই যে, মুশরিকদের কা’বায় উলু ধ্বনি ও তালি দেওয়াকেও সালাত নামে চিহ্নিত করা হয়েছে। আবার পূর্বের রাসূলদেরকেও উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে, তারাও সালাত করেছেন। রসূলুল্লাহ শোয়াইবকে বলছে তার জাতি অভিযোগ জানাচ্ছে যে, তোমার সালাত আমাদের অমুক মন্দ কাজ থেকে কি বিরত থাকতে বলে? কুরআনের সমন্বিত পাঠ ও গভীর পর্যবেক্ষণ ও চিন্তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, সালাত একটি generic বা সাধারণ শব্দ, যার অর্থের মধ্যে অনেকগুলো ডাইমেনশন বা মাত্রা বিরাজমান।
কুরআন নাযিল হওয়ার বহু আগে নাযিল হয়েছে তাওরাত। বনী ইসরাইলের প্রতিও সালাতের নির্দেশ তথা স্রষ্টার আরাধনা, উপাসনার নির্দেশ ছিলো। ঈসা আ. নিজেও যেমন স্রষ্টার আরাধনা করেছেন, সালাত করেছেন, তেমনি তাঁর অনুসারীরা তাঁর নির্দেশনানুসারে স্রষ্টার কাছে নিয়মিত প্রার্থনা করতো।
সমন্বিত অধ্যয়ন থেকে বুঝা যায়, কুরআনে সালাতের দুইটি মাত্রা রয়েছে, যার একটি হলো অনানুষ্ঠানিক বা ভাবগত এবং অন্যটি হলো আনুষ্ঠানিক বা বস্তুগত। ভাবগত সালাত হলো স্রষ্টার নির্দেশ, আদেশ-নিষেধ মান্য করার মাধ্যমে তাঁর স্মরণ ও সংযোগ অব্যাহত রাখা, যা হলো দায়েমী সালাত। অন্যটি হলো সময়ের প্রবাহমানতা ও প্রকৃতির পরিবর্তনের সাথে যথাসম্ভব সামঞ্জস্য রেখে নির্দিষ্ট সময়ে স্রষ্টা অভিমুখী আরাধনা করা।
কুরআনে সালাতের কঠোর কোনো ফর্ম বা কাঠামো দেওয়া হয়নি। প্রকৃতির দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বরং আমাদের বলা হয়েছে, কেবল মানুষ নয় অন্যান্য সৃষ্টিও সালাত করে কিন্তু আমরা তাদের সেই সালাত বুঝতে পারি না। এ থেকেও বোঝা যায় যে, সালাত কেবলমাত্র একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর নয়। তবে কেউ যদি প্রচলিত কাঠামোতে থেকে সালাত করে সেটিও অনির্দিষ্ট কাঠামোগুলোর মধ্যে একটি কাঠামো হিসেবে বিবেচ্য হতে পারে। তবে যেহেতু স্রষ্টা কুরআনে সালাতের কাঠামো সম্পর্কে কঠোরতা দেননি, তাই আমাদের পক্ষে এই কাঠামো বিষয়ে কেবল এক রকম কাঠমো হতেই হবে এ ধরনের সংকীর্ণতা পরিহার করাই কুরআনের শিক্ষার নিকটবর্তী।
সালাতের কাঠামোর সাথে সংশ্লিষ্ট যতগুলো পরিভাষা রয়েছে যেমন রুকূ’, সিজদা এর প্রত্যেকটির উৎসগত ও ভাবগত অর্থ ব্যাপক, যা কেবল অনুষ্ঠান বা অঙ্গভঙ্গির সাথে জড়িত বা সীমিত নয়। রুকূ’ শব্দের মূল অর্থ বিনয়ী হওয়া। সিজদা শব্দের মূল অর্থ মান্য করা। তবে আনুষ্ঠানিক অর্থে ঝুঁকে দাঁড়ানো ও দেহকে লুটিয়ে দিয়ে ভক্তি জানানো যথাক্রমে রুকূ’ ও সিজদা শব্দের মধ্যে রয়েছে বললে ভুল হবে না।
অনেকে সব ধরনের রিচুয়াল বা আচার-অনুষ্ঠানের বিরোধিতা থেকে সালাতের কোনো অনুষ্ঠান বা নির্দিষ্ট অঙ্গভঙ্গি র্নিভর আচার বিরোধী। এ ধরনের অবস্থান অনেকটা প্রতিক্রিয়াশীল। যারা ইসলামের শিক্ষার মূল ভাবকে বিনষ্ট করে ফেলেছে আচার-অনুষ্ঠানের প্রতি অতিরিক্ত জোর দেওয়ার মাধ্যমে - এ প্রতিক্রিয়া অনেকটা তাদের বিরুদ্ধে। তবে এ প্রতিক্রিয়ার নেতিবাচক দিক হলো, এর মাধ্যমে মানুষের জীবনে কাঠামোর প্রয়োজনীয়তাকে অস্বীকার করা হয়। কুরআনে অতি-অবশ্যই আনুষ্ঠানিক সালাত রয়েছে যা বিভিন্ন আয়াত থেকে স্পষ্ট। সালাতকে সুর্নিদিষ্ট আচার-অনুষ্ঠান হিসেবে ধরে নিয়ে বলা হয়েছে, “যখন তোমারা সালাতের জন্য প্রস্তুত হবে… তখন তোমরা এভাবে নিজেদের প্রস্তত করবে…’ অথবা ‘সালাত শেষ হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে”, “রাতের একটি অংশে (সালাতে) দাড়াও..”, “এবং যখন তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ করো তখন তোমরা সালাতকে সংক্ষেপ করাতে তোমাদের উপর দোষ নেই”, এ ধরনের নির্দেশনা খুব স্পষ্ট ভাবে সালাতের সুনির্দিষ্ট আচার-অনুষ্ঠানের নির্দেশক।
সূরা নিসা (৪), আয়াত ১০২ এ দুই রাকাত নামাযের কথা বর্ণিত হয়েছে।
"আর তুমি যখন তাহাদের মধ্যে অবস্থান করিবে ও তাহাদের সঙ্গে সালাত কায়েম করিবে তখন তাহাদের একদল তোমার সঙ্গে যেন দাঁড়ায় এবং তাহারা যেন সশস্ত্র থাকে। তাহাদের সিজ্দা করা হইলে তাহারা যেন তোমাদের পিছনে অবস্থান করে ; আর অপর একদল যাহারা সালাতে শরীক হয় নাই তাহারা তোমার সঙ্গে যেন সালাতে শরীক হয় এবং তাহারা যেন সতর্ক ও সশস্ত্র থাকে। কাফিররা কামনা করে যেন তোমরা তোমাদের অস্ত্রশস্ত্রও আসবাবপত্র সম্বন্ধে অসতর্ক হও যাহাতে তাহারা তোমাদের উপর একেবারে ঝাঁপাইয়া পড়িতে পারে। যদি তোমরা বৃষ্টির জন্য কষ্ট পাও অথবা পীড়িত থাক তবে তোমরা অস্ত্র রাখিয়া দিলে তোমাদের কোন দোষ নাই; কিন্তু তোমরা সতর্কতা অবলম্বন করিবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ কাফিরদের জন্য লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত রাখিয়াছেন।"
وَاِذَا كُنْتَ فِيْهِمْ فَاَقَمْتَ لَهُمُ الصَّلٰوةَ فَلْتَقُمْ طَآٮِٕفَةٌ مِّنْهُمْ مَّعَكَ وَلْيَاْخُذُوْۤا اَسْلِحَتَهُمْ فَاِذَا سَجَدُوْا فَلْيَكُوْنُوْا مِنْ وَّرَآٮِٕكُمْ وَلْتَاْتِ طَآٮِٕفَةٌ اُخْرٰى لَمْ يُصَلُّوْا فَلْيُصَلُّوْا مَعَكَ وَلْيَاْخُذُوْا حِذْرَهُمْ وَاَسْلِحَتَهُمْ ۚ وَدَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا لَوْ تَغْفُلُوْنَ عَنْ اَسْلِحَتِكُمْ وَاَمْتِعَتِكُمْ فَيَمِيْلُوْنَ عَلَيْكُمْ مَّيْلَةً وَّاحِدَةً ؕ وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ اِنْ كَانَ بِكُمْ اَ ذًى مِّنْ مَّطَرٍ اَوْ كُنْـتُمْ مَّرْضٰۤى اَنْ تَضَعُوْۤا اَسْلِحَتَكُمْ ۚ وَ خُذُوْا حِذْرَكُمْ ؕ اِنَّ اللّٰهَ اَعَدَّ لِلْكٰفِرِيْنَ عَذَابًا مُّهِيْنًا
পরিশেষে বলছি, আল্লাহ্ সূরা হজ (২২), আয়াত ৬৭ এর মাধ্যমে জানিয়েছে -
"আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য নির্ধারিত করিয়া দিয়াছি 'ইবাদত পদ্ধতি - যাহা উহারা অনুসরণ করে। সুতরাং উহারা যেন তোমার সঙ্গে বিতর্ক না করে এই ব্যাপারে। তুমি উহাদেরকে তোমার প্রতিপালকের দিকে আহ্বান কর, তুমি তো সরল পথেই প্রতিষ্ঠিত।"
لِّـكُلِّ اُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا هُمْ نَاسِكُوْهُ فَلَا يُنَازِعُنَّكَ فِى الْاَمْرِ وَادْعُ اِلٰى رَبِّكَ ؕ اِنَّكَ لَعَلٰى هُدًى مُّسْتَقِيْمٍ
আল্লাহ্ আমাদের বিতর্ক করতে বারণ করেছেন। শুধু আমাদের এটা খেয়াল রাখতে হবে, আল্লাহ অন্যান্য আয়াতে যেসব বিধান দিয়েছেন, তা যেন নিজের জীবনে মান্য করে সালাত কায়েম করি। সালাত কায়েম করাটাও জরুরি।
নোট: অনেকেই এতো বড় পোস্ট পড়ার পর হয়তো বলবেন যে, কিভাবে নামাজ পড়ার নিয়ম কুরআনে রয়েছে তার একটা উত্তর পাবেন, কিন্তু আশায় গুড়েবালি! আল্লাহর নিকটে আপনি আমি আমরা কিভাবে নামাজ পড়বো তা গুরুত্বপূর্ন নয়। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে পারাটাই আসল। সালাতে/নামাজে কুরআন বুঝে পাঠ করার ব্যাপারটাই হলো কুরআন নিজের মাঝে প্রতিষ্ঠা করা।

