🟩 আল্লাহ যাকে ইচ্ছা গোমরাহ করেন?
❌ অনুগ্রহ করে যে যার মতো গবেষণা করবেন। এই লেখাটির কথা চূড়ান্ত ধরে নেবেন না, প্লীজ।
Fatir 35:8
أَفَمَن زُيِّنَ لَهُۥ سُوٓءُ عَمَلِهِۦ فَرَءَاهُ حَسَنࣰاۖ فَإِنَّ ٱللَّهَ يُضِلُّ مَن يَشَآءُ وَيَهۡدِي مَن يَشَآءُۖ فَلَا تَذۡهَبۡ نَفۡسُكَ عَلَيۡهِمۡ حَسَرَٰتٍۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمُۢ بِمَا يَصۡنَعُونَ
প্রচলিত অনুবাদ:
কাউকে যদি তার অসৎ কাজ সুশোভিত করে দেখানো হয় অতঃপর সে ওটাকে ভাল মনে করে, কেননা আল্লাহ যাকে ইচ্ছা গোমরাহ করেন আর যাকে ইচ্ছা হিদায়াত দান করেন; অতএব তাদের জন্য আফসোস করে নিজে ধ্বংস হয়ো না। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা জানেন।
"আল্লাহ যাকে ইচ্ছা গোমরাহ করেন" - এমন অনুবাদ নিঃসন্দেহে আল্লাহকে শতভাগ দোষ চাপায়। আমরা অনুবাদ পড়ার সময় একবারও ভাবি না যে অনুবাদটি আদৌ ঠিকমতো করা হয়েছে কিনা।
এক বন্ধু আমার একটি পোষ্টে কমেন্ট করেছেন, - "কুরআন পড়ে মানুষ বেশি বুঝে বিপথগামী হওয়ার ইঙ্গিত কোরআনে আছে নিশ্চয়"। আমি কমেন্টের উত্তরে কুরআনের আয়াতের রেফারেন্স চেয়েছি। এখনও উত্তর পাইনি। হতে পারে তিনি এই 35:8 নম্বর আয়াতটি উত্তর হিসেবে জানাবেন। যাই হোক, আমি এই আয়াতের প্রকৃত অনুবাদ কেমন হওয়া উচিত ছিলো তা নিম্নে পেশ করলাম।
🟦 অনুবাদটি এমনই হওয়া উচিত ছিলো নয় কি?
তাহলে কি সে ব্যক্তি, যার কাছে তার মন্দ কাজকে সুন্দর করে উপস্থাপিত করা হয়েছে এবং সে সেটাকেই ভালো মনে করছে-
বস্তুত আল্লাহ সেই ব্যক্তিকেই তার বেছে নেওয়া বিচ্যুত অবস্থায় ছেড়ে দেন, আর তাকেই পথের দিশা দেন যে পথ গ্রহণে প্রস্তুত হয়। সুতরাং তাদের জন্য আফসোস করে নিজেকে ক্ষয় করো না। তারা যা করে আল্লাহ সে বিষয়ে পূর্ণ জ্ঞাত।
▪️মানুষ আগে নিজেই ভুলকে সুন্দর ভাবতে শুরু করে
▪️আল্লাহ তখন তার সেই নির্বাচিত অবস্থাকে বহাল রাখেন
▪️হিদায়াত জোর করে চাপানো হয় না
▪️হিদায়াত আসে গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে
☄️ এইভাবে দেখলে আয়াতটি নৈতিক দায়, মানসিক প্রবণতা এবং আল্লাহর ন্যায়নীতির মধ্যে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে যায়।

