আল্লাহ বলেন, কুরআন পরিপুর্ণ ও বিস্তারিত

আলম এম.আলম এম.২৮ আগস্ট, ২০২৬

আল্লাহ বলেন, কুরআনপরিপুর্ণ ও বিস্তারিত।

তখন আপনি বললেন,কিন্তু কুরআনে তো তারাবী, জানাজা নামাজের নিয়ম নেই। মানে আপনি আল্লাহর আয়াতকে অস্বীকার করলেন, আর আল্লাহর কথাকে মিথ্যা প্রমানের চেষ্টা করলেন।
তাই আল্লাহ আরও বলেছেন, যারা আমার আয়াতকে অস্বীকার করবে আমি তাদেরকে জাহানামের আগুনে দ্বগ্ধ করবোই। আর তাদের সকল কর্ম নিষ্ফল করে দেয়া হবে। (সুরা নিসা,আয়াত ৫৬, সুরা আরাফ,আয়াত ১৪৭)
আল্লাহ মহাজ্ঞানী, আপনি যেই বিষয়ে প্রশ্ন করেছেন, সেটা আল্লাহ কুরআনে না দিয়ে, কেন কুরআনকে বললেন, কুরআন পরিপুর্ণ ও বিস্তারিত?
আল্লাহ বলেছেন এতিমের জন্য ব্যয় করতে, আপনি এতিমদের একসাথে করে খুললেন প্রতিষ্ঠান, এতিমখানা,শুরু করলেন তাদের জন্য দান সংগ্রহ অথচ এতিম আপনার পরিবার ও আত্নীয়দের মধ্যেই ছিল। ধরেন আপনার বাবা মারা গিয়েছন তাহলে আপনার আপন বোন কিন্তু এতিম, আপনার কোন কাজিন হতে পারে এতিম। আপনি তাদের জন্য ব্যয় করেন কিন্তু কেউ লেবাস ধরে এলেই মসজিদ মাদ্রাসার, এতিম খানার কথা বললেই আমরা অন্ধের মত বিশ্বাসী আর নিজের আত্নীয়ের বেলায় সন্দেহ।
আল্লাহ বললেন কুরআনের বাইরে অন্য বই না লিখতে, আপনি শত শত বই লিখে তা প্রতিষ্ঠান খুলে পড়াতে থাকলেন, মাদ্রাসা। সেই পড়ার উপর বেজ করে দিলেন বিভিন্ন টাইটেল। আলেমরা নবীজির উত্তরশুরি,একজন আলেম ১৪ জনকে জান্নাতে নিতে পারবে। এমন কথা কুরআনে কোথায় বলা আছে?
জি, এই মিথ্যা না বললে তো মাদ্রাসা ব্যবসা টিকবে না। যেখানে নবী রাসুলদের অনুমতি ছিল না নিজ থেকে কোন বিধান যুক্ত করার সেখানে আলেমরা এসব কিভাবে বলে? (সুরা রাদ আয়াত ৩৮)
আর কোন রাসূলের জন্য এটা সম্ভব নয় যে, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোন নিদর্শন নিয়ে আসবে।
মাদ্রাসা কেন্দ্রিক বেহেশতে যাওয়ার ধারণা যেদিন থেকে শুরু হয়েছে, ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্য সেইদিন থেকেই ঢাকা পড়ে গেছে। মাদ্রাসায় কুরআনকে সুকৌশলে সাইড করে বলা হয় এটাকে বুজতে সাংঘাতিক ১৮ প্রকারবে ইলম দরকার।তাই এটাকে বুজার চেয়ে হাদিস, ফিকহ, উসুল,মানতেক, ইলমে কালাম শিখলেই কুরআন তথা ইসলাম বুঝা হবে। এরাই সমাজের মসজিদ, মক্তব দখল করে মানুষকে পথভ্রষ্ট করেই চলছে।
মাদ্রাসার ছাত্রদের চিন্তাশীল হওয়ার চাইতে না বুঝে মুখস্থের প্রতি জোর দেয়া হয় তাই তাদের মানুষের কল্যানে নতুন কিছু আবিষ্কারে দেখা যায় না। একজন মাদ্রাসার ছাত্র যদি জানতো তার কাজ মৃত ব্যক্তির পাশে কুরআন খতম বা তারাবি পড়ানো নয় কিংবা মসজিদ মাদ্রাসার জন্য টাকা উত্তলোন নয় বরং কুরআনের আদেশ নিষেধ মেনে চলে সৎভাবে জীবিকা নির্বাহ করা, মিথ্যা না বলে, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে কর্ম জীবন তৈরি করা। তাহলে সে স্বচ্ছল হতো, অনেক মানুষের দায়িত্ব নিতে পারতো, কারো ও করুনা বা দয়া নয়। আর তার দারিদ্র্যতাকে পুঁজি করে কেউ তাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার ও বানাতে পারতো না যদি সে আল্লাহর বলা সরল পথে চলত।
পাঠক প্রতিক্রিয়া

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো? অনুভূতি প্রকাশ করুন

একটি ক্লিকেই লাইক, লাভ বা আপনার মতামত প্রদান করতে পারেন

মোট প্রতিক্রিয়া: 0
আপনার যেকোনো প্রতিক্রিয়া সম্পূর্ণ বেনামী ও সুরক্ষিত
শেয়ার করুন:
FacebookWhatsAppXTelegram
পোস্ট ভিজিটর পরিসংখ্যানপাঠক এনগেজমেন্ট ও পরিসংখ্যান
মোট পাঠক
০ জন
০ টি ভিজিট সেশন
মোট পঠন সময়
০ সেকেন্ড
পাঠকদের ব্যয়কৃত মোট সময়
গড় পঠন সময়
০ সেকেন্ড
প্রতি পাঠক গড়ে অবস্থান
পেজ ভিউ
০ বার
আর্টিকেল পড়ার সংখ্যা
আলম এম.

কুরআনের শব্দ ও সংখ্যা গভীর চিন্তার আহ্বান জানায়। আমি সেই চিহ্নগুলো অনুসরণ করি। আমি আলম, পাঠ্যের কাছে নম্র, বিশ্লেষণে কঠোর। লিখি নিজের বোধ থেকে; চূড়ান্ত জ্ঞান একমাত্র আল্লাহর কাছে।