মিরাজ সম্পর্কিত কুরআনের আয়াতসমূহ

আলম এম.আলম এম.২৮ আগস্ট, ২০২৬

সূরা আল-ইসরা (১৭) এর ১ নম্বর আয়াত এবং সূরা আন-নাজম (৫৩) এর ১ থেকে ১৮ নম্বর আয়াত সমূহের আরবী, বাংলা, ও ইংরেজি অনুবাদ নিম্নে শেয়ার করলাম:

সূরা আল-ইসরা (১৭), আয়াত ১:
سُبۡحٰنَ الَّذِیۡۤ اَسۡرٰی بِعَبۡدِهٖ لَیۡلًا مِّنَ الۡمَسۡجِدِ الۡحَرَامِ اِلَی الۡمَسۡجِدِ الۡاَقۡصَا الَّذِیۡ بٰرَکۡنَا حَوۡلَهٗ لِنُرِیَهٗ مِنۡ اٰیٰتِنَا ؕ اِنَّهٗ هُوَ السَّمِیۡعُ الۡبَصِیۡرُ
পবিত্র ও মহিমাময় তিনি যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে ভ্রমণ করিয়েছিলেন মাসজিদুল হারাম হতে মাসজিদুল আকসায়, যার পরিবেশ আমি করেছিলাম বারাকাতময়, তাকে আমার নিদর্শন দেখানোর জন্য; তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।
Exalted is He who took His Servant by night from al-Masjid al-Haram to al-Masjid al-Aqsa, whose surroundings We have blessed, to show him of Our signs. Indeed, He is the Hearing, the Seeing.
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ১:
وَ النَّجۡمِ اِذَا هَوٰی
কসম নক্ষত্রের, যখন তা অস্ত যায়।
By the star when it descends,
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ২:
مَا ضَلَّ صَاحِبُکُمۡ وَ مَا غَوٰی ۚ
তোমাদের সঙ্গী বিভ্রান্ত নয়, বিপথগামীও নয়,
Your companion [Muhammad] has not strayed, nor has he erred,
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ৩:
وَ مَا یَنۡطِقُ عَنِ الۡهَوٰی
আর সে মনগড়া কথা বলে না।
Nor does he speak from [his own] inclination.
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ৪:
اِنۡ هُوَ اِلَّا وَحۡیٌ یُّوۡحٰی
তাতো ওয়াহী যা তার প্রতি প্রত্যাদেশ করা হয়,
It is not but a revelation revealed,
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ৫:
عَلَّمَهٗ شَدِیۡدُ الۡقُوٰی
তাকে শিক্ষা দিয়েছে প্রবল শক্তিধর,
Taught to him by one intense in strength
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ৬:
ذُوۡ مِرَّۃٍ ؕ فَاسۡتَوٰی
প্রজ্ঞা সম্পন্ন; সে নিজ আকৃতিতে স্থির হয়েছিল,।
One of soundness. And he rose to [his] true form
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ৭:
وَ هُوَ بِالۡاُفُقِ الۡاَعۡلٰی
আর সে ছিল ঊর্ধ্ব দিগন্তে,
While he was in the higher [part of the] horizon.
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ৮:
ثُمَّ دَنَا فَتَدَلّٰی
তারপর সে নিকটবর্তী হল, অতঃপর আরো কাছে এলো।
Then he approached and descended
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ৯:
فَکَانَ قَابَ قَوۡسَیۡنِ اَوۡ اَدۡنٰی
ফলে তাদের মধ্যে দুই ধনুকের ব্যবধান রইল, অথবা তারও কম।
And was at a distance of two bow lengths or nearer.
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ১০:
فَاَوۡحٰۤی اِلٰی عَبۡدِهٖ مَاۤ اَوۡحٰی
তখন আল্লাহ তাঁর বান্দার প্রতি যা অহী করার তা অহী করলেন।
And he revealed to His Servant what he revealed.
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ১১:
مَا کَذَبَ الۡفُؤَادُ مَا رَاٰی
সে যা দেখেছে, অন্তকরণ সে সম্পর্কে মিথ্যা বলেনি।
The heart did not lie [about] what it saw.
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ১২:
اَفَتُمٰرُوۡنَهٗ عَلٰی مَا یَرٰی
সে যা দেখেছে তোমরা কি সে বিষয়ে তার সংগে বিতর্ক করবে?
So will you dispute with him over what he saw?
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ১৩:
وَ لَقَدۡ رَاٰهُ نَزۡلَۃً اُخۡرٰی
নিশ্চয়ই সে তাকে আরেকবার দেখেছিল।
And he certainly saw him in another descent.
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ১৪:
عِنۡدَ سِدۡرَۃِ الۡمُنۡتَهٰی
সিদরাতুল মুনতাহার নিকট,
At the Lote Tree of the Utmost Boundary,
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ১৫:
عِنۡدَهَا جَنَّۃُ الۡمَاۡوٰی
যার নিকট অবস্থিত বাসোদ্যান।
Near it is the Garden of Refuge
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ১৬:
اِذۡ یَغۡشَی السِّدۡرَۃَ مَا یَغۡشٰی
যখন বৃক্ষটি, যদ্বারা আচ্ছাদিত হবার তদ্বারা ছিল আচ্ছাদিত,
When there covered the Lote Tree that which covered [it].
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ১৭:
مَا زَاغَ الۡبَصَرُ وَ مَا طَغٰی
তার দৃষ্টি বিভ্রম হয়নি, দৃষ্টি লক্ষ্যচ্যূতও হয়নি।
The sight [of the Prophet] did not swerve, nor did it transgress [its limit].
সূরা আন-নাজম (৫৩), আয়াত ১৮:
لَقَدۡ رَاٰی مِنۡ اٰیٰتِ رَبِّهِ الۡکُبۡرٰی
নিশ্চয় সে তার রবের বড় বড় নিদর্শনসমূহ থেকে দেখেছে।
He certainly saw of the greatest signs of his Lord.
পাঠক প্রতিক্রিয়া

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো? অনুভূতি প্রকাশ করুন

একটি ক্লিকেই লাইক, লাভ বা আপনার মতামত প্রদান করতে পারেন

মোট প্রতিক্রিয়া: 0
আপনার যেকোনো প্রতিক্রিয়া সম্পূর্ণ বেনামী ও সুরক্ষিত
শেয়ার করুন:
FacebookWhatsAppXTelegram
পোস্ট ভিজিটর পরিসংখ্যানপাঠক এনগেজমেন্ট ও পরিসংখ্যান
মোট পাঠক
০ জন
০ টি ভিজিট সেশন
মোট পঠন সময়
০ সেকেন্ড
পাঠকদের ব্যয়কৃত মোট সময়
গড় পঠন সময়
০ সেকেন্ড
প্রতি পাঠক গড়ে অবস্থান
পেজ ভিউ
০ বার
আর্টিকেল পড়ার সংখ্যা
আলম এম.

কুরআনের শব্দ ও সংখ্যা গভীর চিন্তার আহ্বান জানায়। আমি সেই চিহ্নগুলো অনুসরণ করি। আমি আলম, পাঠ্যের কাছে নম্র, বিশ্লেষণে কঠোর। লিখি নিজের বোধ থেকে; চূড়ান্ত জ্ঞান একমাত্র আল্লাহর কাছে।

আপনার জন্য নির্বাচিত

সম্পর্কিত গবেষণা ও প্রাসঙ্গিক বিষয়সমূহ

এই বিষয়ের সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট আরও কিছু গভীর আলোচনা ও কুরআনভিত্তিক অনুসন্ধান

সকল প্রবন্ধ দেখুন

একীভূত সার্বভৌম ম্যাট্রিক্স

প্রচলিত লোকজ ধারণার বাইরে গিয়ে আরবির মূল শব্দার্থ ও তাওহীদের একক সার্বভৌমত্বের আলোকে মালাইকা (নির্বাহী আইন), ওহী (প্রশাসনিক কোড) এবং রুহ (লাইভ এক্সিকিউটিভ কমান্ড)-এর পুনর্মূল্যায়ন ও সূরা নিসার ৪:৮২ ফিল্টারে মহাজাগতিক বিচারবিজ্ঞানের অনন্য বিশ্লেষণ। লেখক: আলম এম.।

কুরআনিক
~৩ মিনিট পাঠ
পড়ুন

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ঐশ্বরিক শিক্ষা ও অক্ষরজ্ঞান

রাসূলুল্লাহ (সা.) কি নিরক্ষর ছিলেন? ‘বলো’ (কুল) বনাম ‘পড়ো’ (ইকরা)-এর মনস্তাত্ত্বিক পার্থক্য, জিবরাঈল (আল্লাহর রূপান্তরকারী শক্তি) ও কলমের শিক্ষা, ‘উম্মী’ শব্দের মূল ধাতু এবং নবুয়ত-পূর্ব বনাম নবুয়ত-পরবর্তী অবস্থার গভীর কুরআনিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ।

কুরআনিক
~৩ মিনিট পাঠ
পড়ুন

লওহে মাহফুজ

সূরা আন-নিসার ৮২ নম্বর আয়াতের কষ্টিপাথরে লওহে মাহফুজ সংক্রান্ত আয়াতসমূহের দ্বন্দ্বহীন পাঠ, মূল শব্দসমূহের (লওহ, মাহফুজ, কিতাব, নাবরাআহা) আরবী রুট বিশ্লেষণ এবং লওহে মাহফুজ (মহাজাগতিক নিয়ম ও ওহী) বনাম আমলনামার (ব্যক্তিগত কর্মের খাতা) মৌলিক পার্থক্য।

কুরআনিক
~৩ মিনিট পাঠ
পড়ুন

ঐশ্বরিক আলোর উপমা-রহস্য: সূরা আন-নূর, আয়াত ৩৫

সূরা আন-নূরের ৩৫ নম্বর আয়াত ('আয়াহ আল-নূর')-এর প্রচলিত আক্ষরিক, দেহতাত্ত্বিক-মরমী ও কোয়ান্টাম বৈজ্ঞানিক অনুবাদ, সূরা আত-তীন (৯৫:১) ও আহসানি তাকউইমের সংযোগ, ৫টি মূল শব্দের আরবী রুট বিশ্লেষণ এবং আলোর সর্বব্যাপী উপস্থিতি বনাম গতির দার্শনিক-বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব।

কুরআনিক
~৩ মিনিট পাঠ
পড়ুন

কুরআনের আয়াত ৫:৬ - অজু কি কেবল শারীরিক, নাকি একটি সমন্বিত পরিশুদ্ধি?

সূরা আল-মায়েদা ৫:৬ আয়াতের ভাষাগত গঠন, শর্তীয় কাঠামো এবং শব্দমূল (Root) বিশ্লেষণ—যেখানে ওয়াজহ, আইদী, রুউস, আরজুল, জুনুব, সাফার, নিসা, মা এবং তায়াম্মুমের মাধ্যমে ব্যক্তি, নেতৃত্ব, দল ও মানসিক অবস্থার সমন্বিত পরিশুদ্ধি ব্যবস্থা উন্মোচিত হয়েছে।

কুরআনিক
~৩ মিনিট পাঠ
পড়ুন