শিঙ্গায় ফুঁ, না কি এক মহাজাগতিক রূপান্তরের ঘোষণা?
কুরআনে এমন একটি অভূতপূর্ব ঘটনার কথা বারবার এসেছে, যাকে সাধারণ বাংলা অনুবাদসমূহে বলা হয় “শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া”। মূল আরবি বাক্যাংশটি হলো: نُفِخَ فِي الصُّورِ (নুফিখা ফিস্-সূর)—অর্থাৎ “সূরে ফুঁ দেওয়া হলো” বা “সূরের ভেতরে ফুঁ দেওয়া হলো”।
এই ঘটনাটিকে বুঝতে হলে কুরআনের অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্রকে পাশাপাশি স্থাপন করা অপরিহার্য। কোথাও বলা হচ্ছে, ফুঁ দেওয়ার ফলে আকাশ ও পৃথিবীর অধিবাসীরা সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়বে। কোথাও বলা হচ্ছে, একই ধরনের ফুঁয়ের পর মানুষ কবর বা সমাধিস্থ অবস্থা থেকে উঠে তাদের প্রতিপালকের দিকে অগ্রসর হবে। আবার কোথাও বলা হচ্ছে, মানুষ দলে দলে সমবেত হবে। তাহলে কুরআনের নিজস্ব বর্ণনায় মূল ধারাটি কী? একটি অবস্থার সার্বিক অবসান → এরপর পুনরুত্থান → তারপর সমবেত হওয়া।

