শিঙ্গায় ফুঁ, না কি এক মহাজাগতিক রূপান্তরের ঘোষণা?

আলম এম.আলম এম.৫ অক্টোবর, ২০২৬
কুরআনিক গবেষণা শব্দতত্ত্ব ও কসমোলজি • লেখক: আলম এম. • পাঠকাল: ১২ মিনিট

শিঙ্গায় ফুঁ, না কি এক মহাজাগতিক রূপান্তরের ঘোষণা?

কুরআনে এমন একটি অভূতপূর্ব ঘটনার কথা বারবার এসেছে, যাকে সাধারণ বাংলা অনুবাদসমূহে বলা হয় “শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া”। মূল আরবি বাক্যাংশটি হলো: نُفِخَ فِي الصُّورِ (নুফিখা ফিস্-সূর)—অর্থাৎ “সূরে ফুঁ দেওয়া হলো” বা “সূরের ভেতরে ফুঁ দেওয়া হলো”।

এই ঘটনাটিকে বুঝতে হলে কুরআনের অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্রকে পাশাপাশি স্থাপন করা অপরিহার্য। কোথাও বলা হচ্ছে, ফুঁ দেওয়ার ফলে আকাশ ও পৃথিবীর অধিবাসীরা সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়বে। কোথাও বলা হচ্ছে, একই ধরনের ফুঁয়ের পর মানুষ কবর বা সমাধিস্থ অবস্থা থেকে উঠে তাদের প্রতিপালকের দিকে অগ্রসর হবে। আবার কোথাও বলা হচ্ছে, মানুষ দলে দলে সমবেত হবে। তাহলে কুরআনের নিজস্ব বর্ণনায় মূল ধারাটি কী? একটি অবস্থার সার্বিক অবসান → এরপর পুনরুত্থান → তারপর সমবেত হওয়া।

পাঠক প্রতিক্রিয়া

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো? অনুভূতি প্রকাশ করুন

একটি ক্লিকেই লাইক, লাভ বা আপনার মতামত প্রদান করতে পারেন

মোট প্রতিক্রিয়া: 0
আপনার যেকোনো প্রতিক্রিয়া সম্পূর্ণ বেনামী ও সুরক্ষিত
শেয়ার করুন:
FacebookWhatsAppXTelegram
পোস্ট ভিজিটর পরিসংখ্যানপাঠক এনগেজমেন্ট ও পরিসংখ্যান
মোট পাঠক
০ জন
০ টি ভিজিট সেশন
মোট পঠন সময়
০ সেকেন্ড
পাঠকদের ব্যয়কৃত মোট সময়
গড় পঠন সময়
০ সেকেন্ড
প্রতি পাঠক গড়ে অবস্থান
পেজ ভিউ
০ বার
আর্টিকেল পড়ার সংখ্যা
আলম এম.

কুরআনের শব্দ ও সংখ্যা গভীর চিন্তার আহ্বান জানায়। আমি সেই চিহ্নগুলো অনুসরণ করি। আমি আলম, পাঠ্যের কাছে নম্র, বিশ্লেষণে কঠোর। লিখি নিজের বোধ থেকে; চূড়ান্ত জ্ঞান একমাত্র আল্লাহর কাছে।