আতিউল্লাহা ওয়া আতিউর রাসুল

আলম এম.আলম এম.২৮ আগস্ট, ২০২৬

 "আতিউল্লাহা ওয়া আতিউর রাসুল" অর্থ আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য করা, - দিয়ে কি বুঝানো হয়েছে?

অনেক মুসলিম ভাইয়েরা আতিউর রাসুল দিয়ে প্রচলিত হাদীস মানার সপক্ষে যুক্তি দেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু আতিউর রাসুল দিয়ে কি সত্যই প্রচলিত হাদীস মানতে বলা হয়েছে? চলুন তাহলে কোরানের আনুসংগিক কিছু আয়াত বিশ্লেষণ করি তখন পরিস্কার হয়ে যাবে কোরানের আয়াত আতিউর রাসুল দিয়ে কি বুঝানো হয়েছে।
সুরা নিসা আয়াত ৬৪ " ওমা আরসালনা মির রাসুলিন ইল্লা লি ইয়োতাআ বিইজনিল্লাহে..."। অর্থ - শুধুমাত্র আল্লাহর আদেশের আনুগত্য করার জন্যই আমি রসুল পাঠিয়েছি...."। এ আয়াত থেকে সুস্পষ্ট ভাবে বুঝা যায় যে রসুল একনিষ্ঠ ভাবে আল্লাহর আদেশের আনুগত্য করেছেন। আল্লাহর আদেশ কোনটি? আল্লাহর আদেশ আল্ কোরান। অর্থাৎ কোরানেরই আনুগত্য করেছেন।
সুরা নিসা আয়াত ১০৫ "ইন্না আনঝালনা ইলাইকাল কিতাবা বিল হাক্কি লি তাহাকুমু বায়ন্নাসে বিমা আরাকাল্লাহু...." অর্থ - নিশ্চয় আমি যথাযত ভাবে তোমার প্রতি কিতাব নাজিল করেছি যাতে তা দিয়ে মানুষের মাঝে বিচার ফয়সালা করো যেমনটা আল্লাহ দেখিয়েছেন....। এ আয়াত থেকে সুস্পষ্ট যে আল্লাহ নবীকে নির্দেশ দিয়েছেন তাঁর নাজিল কৃত কিতব দিয়ে ফয়সালা দিতে। আর সেটি হলো আল্ কোরান। আর রসুল তাই করেছেন। তাই রসুলের আনুগত্য করা অর্থ কোরানের আনুগত্য করা, এবং কোরানের আনুগত্য করা অর্থ রসুলের আনুগত্য করা।
সুরা ক্বাফ আয়াত ৪৫ '.....ফা জাক্কির বিল কোরানি মাই ইয়াখাফু ওয়িদি"। অর্থ - যারা পরিনামের ভয় করে তাদের কোরান দিয়ে উপদেশ দাও। এ আয়াতে সুস্পষ্ট যে, নবীজী সঃ কে আল্লাহ পাক কোরান দিয়ে উপদেশ দিতে আদেশ করেছেন, আর নবীজী তাই করেছেন। অর্থাৎ নবীজী সঃ কোরানেরই আনুগত্য করেছেন।
আল্লাহ পাক বলছেন সুরা ক্বাছাছ, আয়াত ৮৫ " ইন্নাল্লাজি ফারাজা আলাইকাল কোরানা..."। অর্থ - নিশ্চই তিনি তোমর (রসুল) উপর কোরান ফরজ করেছেন.....। যেহেতু আল্লাহ পাক কোরান ফরজ করেছেন তাই রসূলকে অক্ষরে অক্ষরে কোরান পালন করতে হয়েছে। অন্যদিকে কোরানে কোথাও আল্লাহ পাক বলেন নাই তোমার প্রতি প্রচলিত হাদীস (গাইরু মাতলু ওহি) ফরজ করা হয়েছে। তাই কোরানের বাইরে অন্যকিছু পরিপালনের বাধ্য বাধকতা রসুুলের ছিল না। তদ্রূপ আমাদেরও কোরানের বাইরে অন্য কিছু পরিপালনের বাধ্য বাধ্যবাধকতা নাই।
সুরা কাসাস আয়াত ৪৭ "ও লাউ লা আন তুছিবাহুম মুছিবাতুম বিমা কাদ্দামাত আইদিহিম ফা ইয়া কুলু রব্বানা লউ লা আরসালতা ইলায়না রাসুলান নাত্তাবিয়া আয়াতিকা ও নাকুনা মিনাল মুমিনিন" অর্থ - আর এরকম না হয় যে তাদর কর্ম ফলের কারণে তাদের উপর মুছিবত আসলে, অতঃপর বলে রব আমাদের কাছে কেন একজন রসুল পাঠালে না, তাহলে তোমার আয়াত মেনে চলতাম এবং মুমিন হতাম।
এখানে বলা হচ্ছে একজন রসুল পাঠালে তোমার আয়াত মেনে চলতাম এবং মুমিন হয়ে যেতাম। এখানে বলা হয়নি একজন রসুল পাঠালে তার হাদীস মেনে চলতাম এবং মুমিন হয়ে যেতাম। সুতারং বুঝা যাচ্ছে রসুল পাঠালেও মুমিন হতে আল্লাহর আয়াত মেনে চলতে হবে।
সুরা আন'আম আয়াত ৭১ ".... ক্বুল ইন্না হুদাল্লাহি ওহুঅল হুদা" অর্থ - হে নবী আপনি বলুন, নিশ্চশ হেদায়েত আল্লাহর আর তা ই প্রকৃত হেদায়েত।
অতএব বুঝাগেল আল্লাহর আদেশের আনুগত্য করার অর্থই রাসুলের আনুগত্য করা। আল্লাহর আদেশ অমান্য করে রসুলের আনুগত্য করা যায় না। বিশেষ করে প্রচলিত হাদীস মান্য করার মাধ্যমে যখন সেগুলি কোরানের সাথে সাংঘর্ষিক বা অসংগতি পূর্ণ হয়।
আনেকে বলতে চাইছেন কোরানের বাইরেও নবীজীর কাছে ওহি পাঠানো হয়েছে, সেগুলিই প্রচলিত হাদীস। তর্কের খাতিরে তা যদি ধরেও নেয় কোরানের বাইরে নবীজীর কাছে ওহি আসতো, তাহলে যে সকল প্রচলিত হাদীস কোরানের সাথে সাংঘর্ষিক বা কোরানের সাথে যায় না সেগুলি আবার হাদীস হয় কি করে? সেগুলিকে হাদীস হিসাবে মেনে নিলে বলতে হয়, আল্লাহ পাক কোরানে (মাতলু ওহি) একরকম কথা বলেছেন এবং হাদিসে (গাইরু মাতলু ওহি) ভিন্ন কথা বলেছেন। এটা কি বিশ্বাসযোগ্য?? এমন বিশ্বাস অন্তরে পোষণ করলে ইমান থাকবে?? নিশ্চয় না। তাহলে এসকল প্রচলিত হাদীস মানতে গিয়ে আমরা কি হরহামেসা ইমান হারিয়ে ফেলছি!!!
অনেকে বলছেন আল্লাহর বিধান এবং রাসুলের বিধান ভিন্ন বিধান, তাই আল্লাহর দেয়া বিধান ও রাসুলের দেয়া বিধান দুটোই মানতে হবে। কিন্তু বিধান দাতা যে একমাত্র আল্লাহ তা কোরানের আনেক আয়াতে উল্লেখ আছে।
সুরা কাহাফ আয়াত ২৫ "... ওলা ইয়াশরিকু ফি হুমকি হি আহাদান"। অর্থ - তিনি(আল্লাহ) তাঁর হুকুমে কাউকে শরীক করেন না।
সুরা বাকারা আয়াত ৮৩ আল্লাহ বলছেন " ওয়া ইজ আখাজনা মিসাকা বাণী ইস্রাইলা, আল্লা তা'আবুদু ইল্লাল্লাহু..... "
অর্থ - যখন আমি বণী ইসরাইলদের থেকে প্রতিশ্রুতি নিলাম আল্লাহ ছাড়া কারো ইবাদত করো না।
ইবাদত করা অর্থ দাসত্ব করা। আর দাসের কর্তব্য মণিবের আদেশ নিষেধ মেনে চলা।আর মুনিব আমাদেরকে কোরানের মাধ্যমে তা জানিয়েছেন। তাই আমাদের অক্ষরে অক্ষরে কোরান মানতে হবে।
অন্যদিকে রসুলও যে একজন বিধান দাতা এ কথা কোরানের কোথাও উল্লেখ নাই, এমনকি ইংগিতও নাই। তাহলে রসুলকে কি ভাবে বিধান দাতা বানাবেন? বিধাতাই একমাত্র বিধান দেয়ার মালিক।
আল্লাহ বলছেন সুরা আনকাবুত আয়াত ১৮ ".....ওমা আলার রসুলি ইল্লাল বালাগুল মূবীন "। অর্থ- আমার রসূলের দায়িত্ব শুধু মাত্র স্পষ্টরূপে পৌঁছে দেয়া। কি পৌঁছে দেয়া? আল্ কোরান তথা আল্লাহর বিধি বিধান। অপর আয়াতে আল্লাহ বলছেন হে নবী তুমি বল " ওমা আলাইনা ইল্লাল বালাগ " অর্থ - আমার দ্বায়িত্ব শুধু মাত্র পৌঁছে দেয়া "।
সুরা আহযাব আয়াত ৪৬ " ও দায়ী ইল্লালাহি বি ইজনিহি ওয়া সিরাজাম মুনিরা " ৷ অর্থ - আল্লাহর আদেশে তাঁর (আল্লাহর) দিকে আহ্বানকারী এবং উজ্জ্বল বাতি। এখান থেকে বুঝা যাচ্ছে নবীর দ্বায়িত্ব আল্লহর নির্দেশক্রমে তাঁর (আল্লাহর) দিকে ডাকা। নির্দেশক্রমে অর্থ আল্লাহর বিধি বিধান দিয়ে। অর্থাৎ রসুল আহ্বানকারী, বিধান তৈরীকারী নয়। রসুলতো বিধাতা নন, উনিতো আব্দ বা বান্দা। রসুলকে বিধান দাতা (বিধাতা) বানাতে গিয়ে আল্লাহর সাথে শিরক করছেন কি না ভেবে দেখুন??
আতিউল্লাহা ওয়া আতিউর রাসুল অর্থ যে আল্লাহর আদেশেরই অনুগত্য করা তা নীচের এই আয়াতের বিশ্লেষণ দেখলে পরিস্কার হবে।
সুরা আনফাল আয়াত ২০ " ইয়া আয়্যোহাল লাজিনা আমানু আতিউল্লাহা ওয়া রাসুলাহু, ওলা তাওল্লাউ আনহু..... " অর্থ - হে ইমানদারগণ, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করা, তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিওনা। এ আয়াতে বলছেন -ওলা তাওল্লাউ আনহু। আনহু এক বচন। অর্থাৎ যে জিনিস থেকে মুখ ফিরাতে নিষেধ করছেন তা একটা জিনিস। আর সেটা হল আল্লাহর বিধি বিধান আল্ কোরান। যদি আল্লাহ এবং রসুলের দুটি ভিন্ন বিধি বিধান হতো, তাহলে আরবি হত দ্বিবচন " আনহুমা"। তা কিন্তু হয়নি।
সুরা আহাযাব আয়াত ৩৬ " ওমা কানা লি মুমিনিউ ওলা মুমিনাতিন ইজা কজাল্লাহু ও রাসুলাহু আমরান আই ইয়াকুনা লাহুমুল খিয়ারাতু মিন আমরি হিম"। অর্থ - যখন আল্লাহ এবং তাঁর রসুল কোন বিষয়ে ফয়সালা দেন তখন মুমিন নারী পুরুষের তাঁর আদেশের উপর কোন এখতিয়ার থাকে না। এখানে লক্ষনীয় 'আল্লাহ ও রসুল ফয়সালা দেন' - রাসুল সরাসরি উপস্থিত থেকে ফয়সালা দেন, আল্লাহ কি সরাসরি উপস্থিত থেকে ফয়সালা দেন? উত্তর না। তাহলে আল্লাহ কি ভাবে ফয়সালা দেন? আল্লাহ ফয়সালা দেন অর্থ আল্লাহর রাসুল তাঁর (আল্লাহর) আদেশ দিয়ে ফয়সালা দেন। তাই বলা হয়েছে আল্লাহ এবং তাঁর রসুল ফয়সালা দেন। তদ্রূপ মানুষ সরাসরি আল্লাহর অনুসরণ এবং আনুগত্য করতে পারে না। রসুল আল্লাহর আদেশর অনুসরণ এবং আনুগত্য করে, আর আমরা রাসুলের আনুগত্য করি মানে আল্লাহর আদেশরই আনুগত্য করি। সুতরাং এটা সুস্পষ্ট যে, আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য করা অর্থ আল্লাহর বিধানেরই আনুগত্য করা।
আয়াতের শেষ অংশে বলা হয়েছে 'মিন আমরি হিম'। এখানে আমরি হিম, অর্থ - তাঁর আদেশে, যা এক বচন অর্থাৎ একটি আদেশ। আর তাহলো আল্লাহর আদেশ। যদি আল্লাহ এবং রসুলের দুটি ভিন্ন বিধান হতো তবে আরবি হতো দ্বিবচন 'হুমা'। অর্থাৎ বুঝা যাচ্ছে বিধি বিধান একটাই, আল্লাহর বিধি বিধান আর সেটা হচ্ছে আল্ কোরানের বিধি বিধান।
সুরা বাকারা আয়াত ৬৩ ".....খুজু মা আতয়নাকুম বি কুউওতি ওজকুরু মা ফিহি লাআল্লাকুম তাত্তাকুন"। অর্থ - আমি তোমাদের যা দিয়েছি তা শক্ত করে ধরো, এবং তাতে যা আছে তা স্মরণ কর হয়তো তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করতে পারবে। আল্লাহ আমাদের কি দিয়েছেন? আল্ কোরান।
সুতরাং আল্ কোরানকেই শক্ত করে ধরতে বলা হয়েছে এবং তা স্মরণ রাখতে আদেশ দেয়া হয়েছে। প্রচলিত হাদীসকে শক্ত করে ধরতে এবং স্মরণ রাখতে কোন নির্দেশনা কোরানে নাই। প্রচলিত হাদীস(গায়রু মাতলু ওহি) শক্ত করে ধরা এবং স্মরণ রাখা জরুরী হলে নবীজীর জীবদ্দশায় সংগৃহীত হয়ে কিতাব আকারে প্রকাশ পেতো। বোখারী সাহেবদের অপেক্ষায় ২৫০ - ৩০০ বছর পড়ে থাকতো না।
আর গাইরু মাতলু ওহি (হাদীস) বলে যে সব কিতাবের নাম বলা হচ্ছে যেমন -বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, নাসায়ী শরীফ, আবু দাউদ শরীফ ইত্যাদি। এগুলি যে ওহি নয় তা এসব কিতাবের নাম থেকেই বুঝা যায়। ওহির কিতাব কখনো কোন মানুষের নামে হয়নি। তাই যদি হতো, তাহলে তাওরাতের নাম হতো মুসা শরীফ, ইনজিলের নাম হতো ইসা শরীফ, কোরানের নাম হতো মুহাম্মদ শরীফ। কিন্তু তা কি হয়েছে? সুতরাং হদীসের কিতাব গাইরু মাতলু ওহি বলে যে দাবি করা হচ্ছে তা অসত্য।
অনেকে জাল হাদীসকে সহীহ্ হাদীস হিসাবে চালানোর প্রয়াসে সুরা হাসরের ৭ নং আয়াতের রেফারেন্স দিয়ে থাকেন। দেখুন সুরা হাশরের ৭ নং আয়াত কি বলছে "রসুল তোমাদের যা দেয় তা গ্রহণ করো এবং যা নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো "। এই আয়াত টিতে ফাই এর মালামাল বন্টনের বিষয়ে বলা হয়েছ। তা একে বারেই সুস্পষ্ট আগের ৬ নং আয়াত থেকে। আর যদি তর্কের খাতিরে ধরে নেই যে বিধি বিধান গ্রহণের কথা বলছেন। তাহলে নবীজী আমাদের কোরান দিয়ে গেছেন,প্রচলিত হদীসের কিতাব নয়। হাদিসের কিতাব দিয়েছেন বুখারী সাহেব, মুসলিম সাহেব, দাউদ সাহেব প্রমুখ নবীজীর ওফাতের ২৫০ - ৩০০ বছর পরে। তাই নবীজী সঃ যা দিয়েছেন সেটা গ্রহণ করলে শুধু কোরানই গ্রহণ করতে হবে।
আল্লাহ বলছেন সুরা আন'আম আয়াত ১৯ " কুল.... উহিয়া ইলাইয়া হাজাল কুরানু লি ইয়োনজিরাকুম বিহি ওমান বালাগা" অর্থ - বল,.... আমার কাছে এই কোরান ওহি করা হয়েছে, এ দিয়ে তোমাদের সতর্ক করার জন্য এবং যাদের কাছে এটা পৌছায়। এ আয়াত থেকে সুস্পষ্ট যে নবীজীর কাছে এই কোরানই ওহি করা হয়েছে। কোরানের বাইরে প্রচলিত হাদীস ওহি করা হয়েছে এমন কোন আয়াত কেরানে নাই। অর্থাৎ গাইরু মাতলু ওহির (প্রচলিত হাদীসের) এগজিস্টেন্সকে কোরান স্বীকৃতি দেয় না।
আল্লাহ বলছেন সুরা আরাফ আয়াত ৩ " তোমাদের প্রতি তোমাদের রবের তরফ থেকে যা নাজিল করা হয়েছে তা অনুসরণ কারো তাছাড়া অন্য কোন আউলিয়ার অনুসরণ কারো না। এখানে অন্য কোন আউলিয় দিয়ে কোরানের বাইরে প্রচলিত হাদীস সহ অন্য সব কিছুকে বুঝানো হয়েছে।
সুতরাং এ আয়াত থেকে সুস্পষ্ট যে কোরানের বাইরে আর কিছুই মান্য করা যাবেনা। অন্য কিছু মান্য করতে কোরান নিষেধ করেছে।
সুরা বাকারা আয়াত ৮৫ "... আফা তু'মিনুনা বি বায়াদিল কিতাবি ওয়া তুকফিরুনা বি বায়াদিন.... "।
অর্থ - তোমারা কিতাবের কিছু মানো আর কিছু অমান্য করো। অর্থাৎ সম্পর্ণ রূপে কোরান মানতে হবে। সুবিধা মত খানিক মানা এবং খানিক আমান্য করা যাবে না।
এছাড়াও কোরানে আরোও অন্তত দুই ডজন আয়াত আছে যা থেকে স্পষ্ট রূপে বুঝা যায় বিধান দাতা একমাত্র আল্লাহ। সুরা ক্বাছাছ আয়াাত ৮৮ "....লাহুল হুকমু ওয়া ইলায়হে তুরজাউন" অর্থ - হুকুম তাঁরই এবং তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তন। নবী -রসূলদের ভিন্ন বিধান দেয়ার কোন এখতিয়ার ছিল না, কোরানের বাইরে বিধান হিসেবে নবীজীর কাছে কোন ওহি আসে নাই।
তবে কোরানের সাথে সামনজস্যপূর্ণ হাদীস মান্য করতে হবে।
কারণ সে গুলি কোরানেরই কথা, নবীজী বিভিন্ন উদাহরণ, উপমা, ব্যাখ্যা, বিশ্লেষন দিয়ে মানুষদের বুঝিয়েছেন।
আশাকরি, আতিউল্লাহা ওয়া আতিউর রাসুল দিয়ে যে কুরআনকে মান্য করার কথা বলা হয়েছে তা পরিস্কার বুঝা গেছে।
পাঠক প্রতিক্রিয়া

এই লেখাটি আপনার কেমন লাগলো? অনুভূতি প্রকাশ করুন

একটি ক্লিকেই লাইক, লাভ বা আপনার মতামত প্রদান করতে পারেন

মোট প্রতিক্রিয়া: 0
আপনার যেকোনো প্রতিক্রিয়া সম্পূর্ণ বেনামী ও সুরক্ষিত
শেয়ার করুন:
FacebookWhatsAppXTelegram
পোস্ট ভিজিটর পরিসংখ্যানপাঠক এনগেজমেন্ট ও পরিসংখ্যান
মোট পাঠক
০ জন
০ টি ভিজিট সেশন
মোট পঠন সময়
০ সেকেন্ড
পাঠকদের ব্যয়কৃত মোট সময়
গড় পঠন সময়
০ সেকেন্ড
প্রতি পাঠক গড়ে অবস্থান
পেজ ভিউ
০ বার
আর্টিকেল পড়ার সংখ্যা
আলম এম.

কুরআনের শব্দ ও সংখ্যা গভীর চিন্তার আহ্বান জানায়। আমি সেই চিহ্নগুলো অনুসরণ করি। আমি আলম, পাঠ্যের কাছে নম্র, বিশ্লেষণে কঠোর। লিখি নিজের বোধ থেকে; চূড়ান্ত জ্ঞান একমাত্র আল্লাহর কাছে।